Friday, February 8, 2019

সাদা বইতে বিভিন্ন দেশের ট্যুরিস্ট ভিসা স্বল্প সময় ও খরচে


পূর্বে কোন দেশ ভ্রমন না থাকলেও আপনি এখন থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিসা নিয়ে ভ্রমন করতে পারবেন। আপনারা নিন্ম লিখিত দেশ গুলোতে স্বল্প খরচ ও সময়ে আপনার ভিসা করিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের উপর নিশ্চিন্তে ছেড়ে দিতে পারেন।

দেশ গুলোঃ

১। চায়না
২। ভিয়েতনাম
৩। কম্বোডিয়া
৪। ব্রুনাই
৫। মিশর
৬। ইন্দোনেশিয়া
৭। ফিলিপাইন
৮। নেপাল
৯। শ্রীলংকা
১০। ইন্ডিয়া

এছাড়াও সাদা বইতে মালয়শিয়া (ই-ভিসা), দুবাই (আমিরাত), ইরান, টুর্কি, সেনজেন ভিসার জন্য যোগাযোগ করুন। বিস্তারিত জানতে নিন্ম লিখিত নং গুলোতে ফোন/হোয়াটএপ করুনঃ
ধন্যবাদান্তে,

ভিসাঘর (Travels Agent)
Ph: 096-02-111122
Cell: 017-63-666677
Email info@visaghor.com
Web: www.visaghor.com

Saturday, November 10, 2018

ঝামেলা এড়াতে প্রথম চীন ভ্রমণে যা করবেন!

চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতি। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে আন্তর্জাতিক কোম্পানি গুলোর বেশীর ভাগই চীনের সাথে জড়িত। বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা ব্যবসা কাজে সরবরাহকারী, ব্যবসায়িক অংশীদার, কারখানা মালিক ও অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন এবং নিজেদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ানোর জন্যে চীনে যাতায়াত বেড়েছে।
দিনের পর দিন, চীনের অর্থনীতি আন্তর্জাতিক সংবাদ শিরোনাম হয়ে উঠছে। এটা মনে হচ্ছে, যে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিকভাবে বা নিজ দেশে ব্যবসায় শক্তি টিকিয়ে রাখতে চীনের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ছাড়া উপায় থাকছে না। আমাদের দেশেরও অনেকে চীন যাতায়াত করছেন। 
চীনে আপনার প্রথম ব্যবসায়িক ভ্রমনের জন্য পরিকল্পনা করবেন কিভাবে, সেটা নিয়েই নিচে একটু আলোচনা করা যাকঃ নিশ্চিত করুন যে আপনি চীন ভ্রমণের জন্যে একটি ভিসার আবেদন করেছেন। চীনে মার্কিন ডলার ব্যাপকভাবে গ্রহণ করা হয় না, চাইনীজ মুদ্রা “রেনমিনবি” নিয়ে যান সরাসরি। ডলার এক্সচেঞ্জ এ আপনার খরচ বেশী পড়ে যাবে।]
হোটেল রিজার্ভ করুন এবং অভ্যন্তরীণ বিমান টিকেট পূর্বেই করে ফেলুন। আপনি ছোট-খাট সমস্যার জন্যে ঔষধপত্র নিতে ভুলবেন না। স্থানীয় খাদ্য আপনার সহ্য নাও হতে পারে। তবে আমি এবং আমার বন্ধু আকন্ঠ খেয়েছি। কিছুই খারাপ লাগে নি। রহস্যটা পরেই বুঝতে পারবেন।

চীনের মানুষ ইংরেজি জানেই না বললে ভুল হবে না। “How are you?” এর মানে বোঝে না এমন মানুষও কম নয়। রাস্তা ঘাট, দোকান, সাইনবোর্ড সবত্র শুধুই চাইনিজ ভাষা চোখে পড়বে। ইংরেজি ১% বলতে পারেন। চীনের ব্যবসা এবং সংস্কৃতির উপর নির্দেশিকা এবং গাইড রাখতে পারেন
চীনে ব্যবসায়িক ভ্রমনের সময় যোগ্যতাসম্পন্ন চীনা দোভাষী সাথে রাখুন। পরিচিত কেউ না থাকলে দোভাষী ভাড়া করুন। ফেসবুক, গুগল কিংবা ইয়াহু সেখানে কাজ করবে না। তাই আপনি মোবাইল বা কম্পিউটারে VPN সফটওয়্যার ইন্সটল করে যাবেন।

চীনা বিমান গুলোতে চেকইনে জনপ্রতি একটির বেশী বড় ল্যাগ্যাজ বহন করলে আপনাকে মাসুল দিতে হবে ৫০০০/= টাকা করে প্রতিবারে। একটি বড় ল্যাগাজ যা বিমানের সাথে চলে যাবে চেকইনে। আর একটি ছোট ব্যাগ আপনার সাথে রাখা যাবে যাত্রী ক্যাবিনেটে।

সবসময় আগে থেকে পরিকল্পনা করা ভাল। চীনের তিনটি সুবর্ণ সময় আপনাকে ব্যবসায়িক যে কোন ভ্রমণ এড়াতে হবেইঃ চীনা নববর্ষের সময় দুই সপ্তাহ সবকিছু বন্ধ থাকে। জানুয়ারীর মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময়টায় তাদের নববর্ষ পড়ে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে (শ্রমিক দিবসের এর ছুটি) এবং অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে (তাদের জাতীয় দিবসের ছুটি)।

চীনা ব্যবসায়ীরা খুবই অতিথিপরায়ণ এবং অধিকাংশ সময় তারা সাক্ষাৎ করতে চায় এবং এয়ারপোর্ট থেকে আপনাকে হোটেলে নিয়ে যাবার জন্যে পিড়াপিড়ি করবে। অধিকাংশ প্রধান চীনা বিমানবন্দর থেকে শহর অন্তত এক ঘন্টা বা তার বেশি দুরত্বে হয়। ঠিক এই সময়টা ধরে নিয়ে আপনার চীনা প্রতিনিধিকে সময় দিতে হবে।
যদি আপনাকে হোটেলে পৌঁছে দেবার কেউ না থাকে, তবে আপনি সবরকম ঠিকানা চাইনীজ ভাষায় প্রিন্ট করে নিয়ে আসবেন। ইংরেজি কেউ বুঝে না, চীনা ঠিকানা ছাড়া আপনার হোটেল পৌঁছতে অনেক কঠিন হয়ে যাবে। ট্যাক্সি ব্যবহার করুন। সাধারনত ট্যাক্সিওয়ালারা বিল বেশী উঠানোর চেষ্টা করে না।
এই দিক থেকে ওরা কিছুটা ভাল আছে। যদি কোন হোটেল বুকিং দিয়ে না যান, তবে আপনাকে অবশ্যই এয়ারপোর্টে ট্র্যাভেল হেল্প ডেস্কের সাহায্য নিতে হবে। এইটাই উত্তম উপায়, নিজে গিয়ে হোটেল ঠিক করার চেয়ে। এর ফলে হোটেল গুলো অনেক সময় আপনাকে এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে যেতে পারে।

কাঁচা খাদ্য রান্না করা হচ্ছে: আপনাকে সময় বিজ্ঞতার সঙ্গে চীনে ব্যবসায়িক যোগাযোগ/সাক্ষাৎ বা ব্যবসা প্রাঙ্গনে পরিদর্শন পরিকল্পনা করতে হবে। চীনে ব্যবসায়িক আলোচনা কিন্তু একটু ধীর গতির হয় এবং আলোচনার পরে প্রায়ই দীর্ঘ এক দুপুরের খাবার ব্যবস্থা করে ফেলবে আপনার চীনা ব্যবসায়ী পার্টনার।
অতএব, সাধারন হিসেবের চেয়ে দ্বিগুণ সময় লাগবে ধরে নিয়ে পরিকল্পনা করুন। আপনি যদি কোন ফ্যাক্টরি প্রদর্শন করতে গিয়ে থাকেন, তবে আপনাকে হোটেল কিংবা শহর থেকে অনেক দূরে যেতে হবে। সাধারনত ফ্যাক্টরি গুলো শহর থেকে ১-২ ঘন্টার দুরত্বে হয়ে থাকে।

চীন এর অফিসিয়াল ভাষা ম্যান্ডারিন, আপনার চীনা ব্যবসার ভবিষ্যৎ এবং সম্ভাবনা এই ভাষার উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করছে। একটি চমৎকার দোভাষীর মাধ্যমেই কার্যকরভাবে আলোচনা সফল হয়। আপনার চীনা সহযোগী দোভাষীর ভাল যোগ্যতা থাকাটা জরুরী, না হয়, যেকোন ব্যবসায়িক আলোচনা কিংবা পরিদর্শনে আপনার আলাপচারীতায় অনেক কষ্ট হবে এবং সম্পূর্ণ যাত্রা বিফলেও যেতে পারে।

আপনার ব্যবসায়িক ভ্রমন একটি দুঃস্বপ্ন হতে পারে। একজন ভাল দোভাষী আপনার হয়ে অপরপক্ষের সাথে ভাল ভাবেই আলোচনা চালিয়ে যাবে, সে আপনার লাভ-ক্ষতির চিন্তা করবে। আমি এমনটাই দেখেছি।
চাইনিজ সামুদ্রিক খাবার: কাজ করার পর, বিনোদনকে চীনা ব্যবসা সংস্কৃতির অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এইটাকে না বলাটা অভদ্রতা হিসেবে দেখা হয় এবং আপনার চীনা ব্যবসায়িক পার্টনার আপনাকে খাবার তুলে দিতে পছন্দ করবে, এখানেও আপনি না করবেন না। এইটা তাদের সংস্কৃতি এবং ভদ্রতা।
দীর্ঘ ডিনার, পানীয় এবং কারাওকেতে গান গাওয়া ইত্যাদি মিলিয়ে প্রতি রাতে আপনার হোটেল ফিরে আসতে দেরীও হতে পারে। চীনের রেস্টুরেন্ট গুলোরও একই অবস্থা, কেউ ইংরেজি বোঝে না। অনেক ক্ষেত্রে সবই কাঁচা সাজানো থাকে এবং আপনাকে বেছে নিয়ে নিজেকেই রান্না করে খেতে হবে টেবিলে। টেবিলে রান্নার ব্যবস্থাটা খুবই সুন্দর এক ব্যাতিক্রমী ব্যবস্থা।

চীনের মানুষদের ভুলে যাওয়াটা অনেক কঠিনই হবে, কারন তাদের অতিথিপরায়ণ ব্যবহার আপনার মন জয় করে নেবে। তাদের মধ্যে কোন সাম্প্রদায়িকতা নেই, নেই কোন অহংকার। বাজারে কিংবা মার্কেটে স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা আপনার সাথে ছবি তুলতে চলে আসতে পারে, আপনি অবাক হবেন।
ঠিক যেমনটা আমরা অনেকেই করি দেশে কোন বিদেশীকে কাছে পেলে। ফিরে আসার সময় আপনি তাদের কথা মনে করতে থাকবেন এবং মধুর সময় গুলো ভাবতে থাকবেন। এই ব্যবহারের জন্যই বোধহয় আজকের চীন এতটা এগিয়ে। কারন ব্যবসার প্রথম শর্তই হচ্ছে “মন জয় করো আগে”, কম মুল্যে পন্য বা সেবার ব্যাপারটা তো আছেই।
নিশ্চয় তারা ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলে মানুষের মন জয় করেছে বিশ্বব্যাপী। আর কারো মন জিতুক বা না জিতুক, আমাদের মন যে জিতেছে সেটা বলতে পারি নির্দ্বিধায়। তাদের উত্তর উত্তর উন্নতি কামনায়।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

 আপনি কি চায়না ভ্রমন করতে চান?

আপনার পাসপোর্ট কি সাদা (আগে কোন দেশে ভ্রমন নাই)?
ইন্ডিয়া ভিসিট আছে?
একাদিক বার ইন্ডিয়া ভিসিট আছে?
২/৩ দেশ ভ্রমন আছে?
পূর্বে চায়না ভিসিট আছে?

বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রেটে আপনার পাসপোর্টে আমরা চায়না ভিসা করে দিচ্ছি। সর্ব ক্ষেত্রেই শতভাগ ভিসা হবে।
সময় ৭ ওয়ার্কিং ডেইস।


ভিসার জন্য ফোন করুন।
জসিম এনায়েত
01763-666677

আমরা সকল দেশের ট্যুরিস্ট ভিসা সাপোর্ট দিয়ে থাকি। আমাদের সহযোগীতা নেবার জন্য যোগাযোগ করুন।

VISAGHOR Travels
Samir Uddin Super Market, 
Suite#215 (Opposite Jamuna Future Park #01 gate),  
Dhaka. 
Phone:  0963-02-111122
Mobile: 01763 666 677
Mobile: 01822 000 666
info@visaghor.com

www.visaghor.com 







Sunday, June 3, 2018

ভারতের ভিসার জন্য পোর্ট নির্বাচন

কম খরচে বিদেশ ভ্রমণের জন্য ভারতই বাংলাদেশের মানুষের পছন্দের শীর্ষে আছে। প্রতিবছর ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশি পর্যটক ভারতে বেড়াতে, চিকিৎসা করতে বা কেনাকাটা করতে যায়। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনেকগুলো স্থল বন্দর রয়েছে। এছাড়া বিমানপথেও কলকাতা, দিল্লী, চেন্নাই ও মুম্বাইয়ের সাথে সরাসরি ফ্লাইট আছে। ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করলে আপনাকে অবশ্যই পোর্ট নির্বাচন করতে হবে। আগে যে পোর্ট দেয়া আছে তার বাইরে অন্য কোনো পোর্ট ব্যবহার করা যেত না। এখন এই বিষয়টি অনেক সহজ করেছে, কিন্তু তাতে সবার আরও বেশি কনফিউশন তৈরী হয়েছে। সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করি আগে কী ছিল, আর এখন কী হয়েছে। এছাড়া কোন পোর্ট আপনি নির্বাচন করবেন তারও কিছু টিপস থাকছে।

বাই এয়ার/হরিদাশপুর আগে সবচেয়ে জনপ্রিয় পোর্ট ছিল। যে পোর্ট আপনার ভিসায় থাকলে বাংলাদেশের বেনোপোল-ভারতের পেট্রাপোল (হরিদাশপুর) হয়ে সড়কপথে যাতায়াত করা যেত। এছাড়া একই পোর্ট দিয়ে বিমানেও ভ্রমণ করা যেত। এখন আর এ অপশনটির জনপ্রিয়তা নেই। কারণ আপনার ভিসায় যে পোর্টেই দেয়া থাক, আপনি এ দুটো অপশন ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া ট্রেনে বা সড়ক পথে গেদে ব্যবহার করতে পারবেন। এর অর্থ হচ্ছে আপনার ভিসায় যে পোর্ট থাকুক নিচের চারটি অপশন ব্যবহার করে ভারতে যেতে বা আসতে পারবেন:
১. বাই এয়ার: (ভারতের যেকোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে পারবেন, কলকাতা/দিল্লী যেখানেই কানেকটিং থাকুক কোনো সমস্যা নেই)। আপনার ভিসায় বাই এয়ার কথাটা লেখা থাকারও প্রয়োজন নেই।
২. বাই রোড হরিদাশপুর: সড়কপথে বাংলাদেশের যশোর জেলার বেনোপোল ও ভারতের পেট্রাপোল ব্যবহার করে ভারতে ঢুকতে/বের হতে পারবেন।
৩. বাই রেল গেদে/পেট্রাপোল: ঢাকা থেকে চুয়াডাংগার দর্শনা হয়ে মৈত্রী ট্রেনে ভারতের গেদে পোর্ট দিয়ে ঢুকতে/বের হতে পারবেন। খুলনা থেকে বন্ধন ট্রেনে পেট্রাপোল হয়ে ঢুকতে/বের হতে পারবেন।
৪. বাই রোড গেদে: দর্শনা হয়ে গেদে দিয়ে সড়কপথে যেতে/আসতে পারবেন।
এখন যদি আপনার ভিসায় উপরে উল্লেখিত পোর্টের বাইরে অন্য কোনো পোর্ট উল্লেখ করা থাকে, তবে উপরেরগুলোর পাশাপাশি ওই পোর্টও ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন ধরুন আপনার ভিসায় ফুলবাড়ি দেয়া আছে। সেক্ষেত্রে আপনি বাংলাবান্দা হয়ে ফুলবাড়ি দিয়ে ভারতে ঢুকে গেদে/হরিদাশপুর দিয়ে ফিরে আসতে পারবেন বা উল্টোটাও করতে পারবেন। মানে গেদে/হরিদাশপুর দিয়ে ঢুকে ফুলবাড়ি/বাংলাবান্দা দিয়ে ফিরে আসতে পারবেন। যে কারণে এখন ভিসায় গেদে/হরিদাশপুর/ট্রেন/এয়ার আলাদা করে থাকা না থাকার  আর কোনো গুরুত্ব নেই।
এখন যে ভিসা ইস্যু করা হয় তার নিচে ছোট করে লেখা থাকে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট দিয়ে যাতায়াতে কোনো রেস্ট্রিকশন নেই। এই ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট শব্দটা দিয়ে বোঝায় হরিদাশপুর, গেদে ও ভারতের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ভারত সরকার আস্তে আস্তে অন্য পোর্টগুলোকেও ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্টে উন্নীত করার কাজ করে যাচ্ছে। এতে করে ভবিষ্যতে অন্য পোর্টগুলো মেনে চলার বাধ্যবাধকতা উঠে যেতে পারে। তবে ভারতের সেভেন সিস্টার রাজ্যের অনেক জায়গায় এখনও ঠিকমতো ইন্টারনেটসহ অন্যান্য অবকাঠামো না থাকার কারণে ঠিক কবে এ কাজ সম্পন্ন হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

কোন পোর্ট নির্বাচন করবেন:

আপনার গন্তব্যের উপর ভিসার পোর্ট নির্ধারণ করবেন। প্রয়োজনে এই লিংক থেকে দেখে নিতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ড পোর্টগুলোর অবস্থান কোথায়। আপনি যদি মেঘালয়/আসাম যেতে চান তবে পোর্ট দেবেন ডাউকি। সিলেট জেলার বাংলাদেশ সীমান্তের অংশের নাম তামাবিল আর ভারতের অংশের নাম ডাউকি। অনলাইনে ভিসার আবেদন করার সময় পোর্টটা “বাই রোড ডাউকি” নামে আসবে। ডাউকি থেকে মেঘালয়ের রাজধানী শিলং যেতে লাগে ২ ঘণ্টার মতো।
আপনার গন্তব্য যদি ত্রিপুরা/মিজোরামের দিকে হয় তবে আপনি পোর্ট হিসেবে নেবেন আগরতলা। বাংলাদেশের অংশ পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ায়।
বাংলাদেশি পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং। আপনার যদি দার্জিলিং যাবার ইচ্ছা থাকে তবে পোর্ট হিসেবে নিতে পারেন চেংড়াবান্দা। বাংলাদেশ অংশে এ পোর্টের নাম বুড়িমারি। এছাড়া ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়েও দার্জিলিং যেতে পারেন। বাংলাদেশের অংশের নাম বাংলাবান্দা।
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিাদাবাদ বা তৎসংলগ্ন এলাকায় যেতে হলে পোর্ট হিসেবে নিতে পারেন বাই রোড মহিদপুর সীমান্তটি। বাংলাদেশ অংশের নাম সোনা মসজিদ।


সরাসরি বিমানের টিকেট কাটতে গেলে ঢাকা/চট্টগ্রাম থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে বেশ খরচ পড়ে। এজন্য অনেকে কলকাতা থেকে ফ্লাইট নেন। কলকাতা যেতে বা কলকাতা হয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যেতে হলে হরিদাশপুর পোর্টটাই ভালো। এখন যেহেতু অন্য যেকোনো পোর্টের সাথে হরিদাশপুর, গেদে, বাই এয়ারে যাবার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই, সেক্ষেত্রে আপনি এর বাইরে আপনার পছন্দমতো একটা পোর্ট নিয়ে রাখতে পারেন। গেদে দিয়েও কলকাতা যাওয়া বেশ সহজ। গেদে স্টেশনের মধ্যেই রয়েছে ইমিগ্রেশন। সেখানে কাজ শেষ করার পর ১ ঘণ্টা পর পর শিয়ালদাহ যাবার ট্রেন পাবেন। সময় লাগবে ৩ ঘণ্টার মতো, ভাড়া মাত্র ৩০ রুপি।
পোর্ট সংক্রান্ত একটা ঝামেলা হচ্ছে একবার ভিসা পেয়ে গেলে সেটার মেয়াদ এক বছর থাকবে। তার আগে পোর্ট পরিবর্তন করা বেশ কঠিন ও ঝামেলাপূর্ণ বিষয়। সেজন্যই সাবধানতার সাথে পোর্ট নির্বাচন করতে হবে। এক বছরে আপনি ভারতের কোন কোন জায়গায় যেতে পারেন সেটা মাথায় রেখে পোর্ট নির্বাচন করবেন। সেজন্য যে চারটা অপশন সব ভিসার সাথে থাকছে সেটা বাদ দিয়ে অন্য একটি পোর্ট নির্বাচন করতে পারেন। এমন নয় যে আপনার পছন্দ করা পোর্ট একবার ব্যবহার না করলে অন্য পোর্টগুলো ব্যবহার করতে পারবেন না। সেরকম কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

 বিঃদ্রঃ কন্ট্রাকে ভিসা পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে। এর জন্য আপনার এম্বাসী যেতে হবে না। শুধু লাগবে পাসপোর্ট, এনআইডি/বার্থ সার্টিফিকেট কপি ও ফটো। খরচঃ ৪৫০০/-
এছাড়া শুধু ই-টোকেন এর জন্য আমরা নেই ৫০০/-
ফোনঃ এনায়েতঃ ০১৭৬৩৬৬৬৬৭৭, ই-মেইলঃ info@visaghor.com
ধন্যবাদ।

Tuesday, May 29, 2018

কীভাবে করবেন ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা?



বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রথম বাধা বিমান ভাড়ার টাকা জোগাড় করা। অনেক সময় দেখা যায় বিমান ভাড়া দেবার পরে পুরো ট্রিপে ভাড়ার অর্ধেকটাও লাগে না আর। সড়কপথে বিদেশে যেতে পারলে খরচটা তাই অনেকাংশেই কমে যায়। বাংলাদেশের তিনদিকের প্রায় সবটুকু সীমান্তজুড়ে আছে ভারত। বান্দরবান ও কক্সবাজারের সাথে মিয়ানমারের সীমান্ত থাকলেও সড়কপথে মিয়ানমার মংড়ু ছাড়া অন্য কোনো শহরে যেতে দেয় না। তাই সড়কপথে ভ্রমণের জন্য ভারতই বাংলাদেশি পর্যটকের একমাত্র গন্তব্য। নেপাল ও ভুটানে সড়কপথে যাওয়া যায়, তবে সেক্ষেত্রেও ভারতের ট্রানজিট ভিসা লাগে।
বিশ্ব পর্যটনে ভারত গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। বিশাল দেশ হবার কারণে সারা বিশ্বের প্রায় সব ধরনের রূপের দেখা মেলে ভারতে। আবার ভারতের জন্য বাংলাদেশি পর্যটকও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ভারতে আসা বিদেশি পর্যটকদের শতকরা ২০ ভাগই আসে বাংলাদেশ থেকে, যা যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশি পর্যটকের চাপের কারণে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়াটা একটু কঠিনই। প্রতিদিন ভারতীয় ভিসা এপ্লিকেশন সেন্টারগুলো থেকে দশ হাজারের বেশি ভিসা ইস্যু করা হয়। যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করলে আপনিও সহজেই পেয়ে যেতে পারেন এক বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা। আসুন দেখে নেই কীভাবে করবেন ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা।

ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশন সেন্টার (আইভিএসি):




বাংলাদেশে মোট ১২টি আইভিএসি আছে। তার মধ্যে ঢাকাতেই আছে সবচেয়ে বেশি। প্রথমেই আপনি ঠিক করে নেবেন কোথা থেকে ভিসার জন্য আবেদন করবেন। কারণ অনেকগুলো সেন্টারে অনলাইনে ফরম পূরণ করেই জমা দেয়া যায়, আর অনেকগুলো সেন্টারে অনলাইনেই আবার ইটোকেন নিতে হয়। ইটোকেন ছাড়া আবেদন করা যাবে: চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকার শ্যামলী আইভিএসিতে। আর ইটোকেন নিয়ে আবেদন করতে হবে: ঢাকায় গুলশান, মতিঝিল, উত্তরাতে। ঢাকার বাইরে খুলনা, যশোর ও রাজশাহীতে। আইভিএসির বিস্তারিত ঠিকানা ও ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার বিস্তারিত নিয়ম পাবেন এই সাইটে www.ivacbd.com

অনলাইনে আবেদন পত্র পূরণ ও ইটোকেন নেয়া:

ভারতীয় যে কোনো ভিসার জন্য আপনাকে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। পরবর্তীতে পূরণকৃত আবেদনপত্র অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ জমা দিতে হবে আইভিএসিতে। আবেদন পত্রটি পাওয়া যাবে এই লিংকে: https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/ । তবে মনে রাখবেন, আবেদনপত্র পূরণের আগে হাতের কাছে কিছু জিনিস রাখবেন:
১. পাসপোর্ট
২. আপনার সদ্য তোলা (তিন মাসের মধ্যে) পাসপোর্ট সাইজের ছবির সফট কপি। একই ধরনের ছবিই আপনাকে আবেদপত্রের সাথে দিতে হবে। ছবির সাইজ ছোট রাখবেন যাতে এক এমবির কম থাকে।
৩. ভারতে আপনার গন্তব্য যেখানে সেখানকার একটা হোটেলের নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার। এ তথ্যগুলো দুবার পূরণ করা লাগবে। একবার “রেফারেন্স ইন ইন্ডিয়া” সেকশনে, আরেকবার কোথায় থাকবেন এরকম একটা কলাম আসবে সেখানে।

আবেদনপত্র অনলাইনে সম্পূর্ণ করার পর একটি ওয়েব ফাইল নাম্বার পাবেন যেটা দিয়ে আপনার আবেদনপত্র খুঁজে বের করে প্রিন্ট করিয়ে নিতে পারবেন এবং ইটোকেন নিতে পারবেন। আপনি যে সেন্টারে দেবেন সেখানে যদি ইটোকেনের প্রয়োজন না পড়ে তবে আবেদনপত্র প্রিন্ট করে আনুসাংগিক অন্য কাগজপত্র নিয়ে আইভিএসি সরাসরি চলে যেতে পারেন।
যে সমস্ত আইভিএসিতে ই-টোকেন লাগে সেগুলোর জন্য কর্মদিবসে (রবি-বৃহস্পতিবার) সকাল ১১:৩০ টা থেকে ১২:৩০ টার মধ্যে ইটোকেনের জন্য চেষ্টা করতে হবে। মনে রাখবেন, একবার পূরণ করার পর ওই আবেদনপত্র ৫ দিন ভ্যালিড থাকবে, এর মধ্যে জমা দিতে না পারলে বা ই-টোকেন না পেলে আবার নতুন করে ফরম পূরণ করতে হবে। ই-টোকেন পেলে আপনার ফরমের পাশে সময় ও তারিখ দেয়া থাকবে, সে অনুসারে জমা দিয়ে আসবেন।

আনুসাংগিক কাগজপত্র কী কী লাগবে:

১. পাসপোর্ট: অন্তত ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে এবং কমপক্ষে ২টি খালি পাতা থাকতে হবে (ভিসা দেয়া হয়নি এমন পাতা)। পুরনো সব পাসপোর্ট সঙ্গে নিয়ে আসবেন এবং জমা দেবেন।
২. পাসপোর্টের ফটোকপি (পাতা ২ ও ৩)
৩. তিন মাসের মধ্যে তোলা ছবি (২” বাই ২” এবং সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড হতে হবে)
৪. চলতি ঠিকানার স্বপক্ষে বাসার বিদুৎ বিল/পানির বিল/ল্যান্ড ফোনের বিলের ফটোকপি দিতে হবে। মূল কপি সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. চাকরীজীবি হলে প্রতিষ্ঠান থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট নিবেন। ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্সের কপি, আর ছাত্র হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
৬. জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি।
৭. ব্যাংক থেকে ১৫০ ডলার এনডোর্স করা থাকতে হবে অথবা ক্রেডিট কার্ড এনডোর্স করা থাকলে সেটার ফটোকপি এবং এনডোর্স করা পেইজের ফটোকপি কিংবা ৬ মাসের ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট যেটার সর্বশেষ ব্যালেন্স ২০,০০০ টাকার মতো আছে।
৮. অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনপত্র। যে সেন্টারের জন্য ই-টোকেন প্রযোজ্য সে সেন্টারের আবেদনপত্রে ই-টোকেন থাকতে হবে।

ভিসা প্রসেসিং ফি:

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতের কোনো ভিসা ফি নেই। তবে ৬০০ টাকা ভিসা প্রসেসিং ফি আছে যা ভিসা প্রসেস করার জন্য স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া পাবে। অনলাইনে জমা দিতে হয় বলে মোট খরচ পড়ে ৬১৮-৬২০ টাকার মত। আপনি এই লিংকে (https://payment.ivacbd.com/) গেলে নিজের কার্ড অথবা মোবাইল মানি একাউন্ট থেকে ভিসা ফি পরিশোধ করতে পারেন। এ কাজটি আগেরদিন রাতেই করে ফেলতে পারেন।
পেমেন্ট হয়ে গেলে আপনার মোবাইলে এসএমএস আসবে এবং অনলাইনে করলে একটা মানি রিসিপ্ট পাবেন যেটা আপনি সংরক্ষণ করতে পারেন। তবে আইভিএসি সেটা দেখতে চায়না কারণ পেমেন্ট করলে সেটা সাথে সাথে আপনার আবেদপত্রের কোডে আপডেট হয়ে যায়, যেটা তারা ফরম সংগ্রহ করার সময় বার কোড রিডার দিয়ে দেখতে পারে। ঝামেলা মনে হলে ইউটিউবে এই ভিডিওটায় দেখতে পারেন কিভাবে অনলাইনে পেমেন্ট করা যায়।

আবেদনপত্র জমা ও পাসপোর্ট সংগ্রহ করার সময়:

আইভিএসিগুলোতে সকাল ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়। কেন্দ্রভেদে ২-৫ কর্মদিবসের মধ্যে ভিসা প্রসেস হয়ে যায়। জমা দেবার রিসিপ্টে উল্লেখিত তারিখে বিকাল ৩টা থেকে ৬টার মধ্যে গিয়ে আপনি পাসপোর্ট ফেরত নিয়ে আসবেন। রোজার মধ্যে পাসপোর্ট সংগ্রহের সময়সূচী ২টা থেকে ৪টা।

ফোন নাম্বার:

আইভিএসিগুলোর দুটো হটলাইন আছে। কোনো প্রশ্নের সমাধান না পেলে তাদেরকে ফোন দিতে পারেন সরাসরি।
ফিচার ইমেজ- incredibleindia.com

বিঃদ্রঃ কন্ট্রাকে ভিসা পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে। এর জন্য আপনার এম্বাসী যেতে হবে না। শুধু লাগবে পাসপোর্ট, এনআইডি/বার্থ সার্টিফিকেট কপি ও ফটো। খরচঃ ৪৫০০/-
এছাড়া শুধু ই-টোকেন এর জন্য আমরা নেই ৫০০/-
ফোনঃ এনায়েতঃ ০১৭৬৩৬৬৬৬৭৭, ই-মেইলঃ info@visaghor.com
ধন্যবাদ। 

Sunday, April 29, 2018

ভারত ভ্রমণে ভিসা পেতে যা করতে হবে...

ভারত ভ্রমণে ভিসা পেতে যা করতে হবে:-
================================
কথিত আছে এক ভারত পুরোটা ঘুরে দেখলেই নাকি পৃথিবীর সব মহাদেশ ঘোরার আমেজ পাওয়া যায়।
ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সম্মিলনসহ দেশটিতে রয়েছে অসংখ্য মোহনীয় পর্যটন স্পট। সাধ ও সাধ্যের মধ্যেই দেখতে পারবেন নদী, সমুদ্র, পাহাড় আর মরুভূমির নজর কাড়া দৃশ্য। সেই সঙ্গে ভারত অধ্যুষিত ভূস্বর্গ কাষ্মিরও।
পর্যটকদের জন্য ঘোরাঘুরি’র এবারের আয়োজন ‘ভারত ভ্রমন’।
এই পর্বে ভারতীয় ভিসা সংক্রন্ত তথ্য উপস্থাপন করা হলো।


আবেদনের আগে:
----------------------
ভারতীয় ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়। ভিসা আবেদনের বেশ কিছু তথ্য www.ivacbd .com সাইটে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া www.hcidhaka .org ওয়েব সাইটের বাম পাশে ‘Guidelines for filling Online Visa Application Form’ এবং FAQ on Online Visa বিভাগে ক্লিক করে আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন আগ্রহীরা।
আবেদন প্রক্রিয়া:
-----------------------
প্রথমে https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/Registration ঠিকানায় প্রবেশ করলেই একটি আবেদন ফরম আসবে। প্রয়োজনীয় সঠিক তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করে save and continue বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর সয়ংক্রিয়ভাবে আরো দুটি ফরম আসবে। একইভাবে ফরম দুটি পূরণ করে save and continue বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এখানে বলে রাখা ভালো, অনলাইনে ফরম পূরণের পাসপোর্ট অনুযায়ী যাবতীয় তথ্য এবং কোনো ধরনের ভিসা (ট্যুরিস্ট, মেডিকেল কিংবা ব্যবসা) কতদিনের ভিসা, কোন রুটে যাবেন, ইন্ডিয়ান একজনের রেফারেন্স এবং হোটেলের তথ্য পূরণ করতে হবে।
ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করার পর উপরে থাকা অস্থায়ী আইডি নম্বরটি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে এবং ফরম পূরণ হলে একটি ফাইল নম্বর দেওয়া হবে। যা দিয়ে পরবর্তী প্রসেসিং যেমন ফাইলটি প্রিন্ট করতে কাজে লাগবে।
এই কাজগুলো খুব সহজ কিন্তু কিছুটা সমস্যায় পড়তে হবে ভারতীয় হাইকমিশনে অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ পেতে। কারণ সাধারণত চাইলেই এই তারিখ পাওয়া যায় না।
আমাদের ভুল থাকতে পারে । প্রয়োজনে এডিট করা হবে । ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।
সংরক্ষিত অস্থায়ী আইডি নম্বর, ফাইল নম্বর এবং জন্ম তারিখ ব্যবহার করে অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ পেতে বারবার চেষ্টা করতে হবে।
অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ পাওয়ার পর পূরণ করা ফাইলটি প্রিন্ট করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নির্দিষ্ট তারিখে ভিসা অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
ভিসার জন্য ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (আইভিএসি) আবেদন জমা দিতে হবে।
– ঘোরাঘুরি ডট কম
যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে:
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------
১. আবেদনের তারিখে পাসপোর্টের মেয়াদ ছয় মাস বা তার বেশি থাকতে হবে ।
সঠিক নিয়মে ফর্ম পূরন করতে হবে । আপনার ফর্ম পূরনের সময় একটি তারিখ জানতে চাইবে আপনি কবে ভিসা ফর্ম জমা দিবেন । আপনার সুবিধা মত তারিখ নির্বাচন করুন ।
২. ব্যাংক থেকে ১৫০ ডলার কিংবা তার বেশী পাসপোর্ট এ এন্ডোস করা থাকতে হবে। সাথে সার্টিফিকেট নিতে ভুলবেন না । যদি ডলার এন্ডোস না করেন তবে আপনার গত তিন মাসের ব্যাংক এস্টেটম্যান্ট জমা দিতে হবে। ব্যাংকে কমপক্ষে ২০০০০/= ( বিশ হাজার টাকা ) সমাপনী ব্যালেন্স রেখে ষ্ট্যাটমেন্ট জমা দিবে ।
৩. নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট বা ন্যশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি নিবেন । যদি স্কুল , কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অফিসের আইডি থাকে তাও ফটোকপি জমা দিবেন । (একটা মূল কপি নিয়ে যাবেন যদি লাগে তারা নিবে । কাজ শেষে ফেরত দিবে ।)
৪. আপনি কি করেন তা প্রমানের জন্য যে কোন সার্টিফিকেট নিবেন (ব্যবসা হলে আপনার ট্রেড লাইসন্সের ফটোকপি কিংবা চাকুরী করলে যথাযত পক্ষের থেকে লেটার নিতে হবে। উভয়ক্ষেত্রে ভিজিটিং কার্ড নিবেন) । অফিস থেকে ছুটি মঞ্জুরের অনুমতিপত্র ও জমা দিতে হবে ।
৫. কমিশনার বা চেয়ারম্যানের সনদপত্র হলে চলবে । যে বাড়ির ঠিকানা আপনার পার্সপোটে উল্লেখ করা আছে সেই বাড়ির বিদ্যুৎ, পানি, ফোন, গ্যাস বিলের ফটোকপি জমা দিন । একটা মূল কপি নিয়ে যাবেন যদি লাগে তারা নিবে । কাজ শেষে ফেরত দিবে ।
৬. ট্যুরিষ্ট ভিসা ৬ মাস থেকে ১ বছরের জন্য প্রদান করা হয় । এটার মেয়াদ কোন ভাবেই বাড়ানো যায় না । তবে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫ বছরের ট্যুরিস্ট ভিসা প্রদান করা হতে পারে।
৭. চিকিৎসা সংক্রান্ত ভিসার জন্য যেতে হলে ডাক্তারের নাম , ভিজিটিং কার্ড, এপয়েন্টম্যান ডেট, রুগীর সকল কাগজপত্র, বাংলাদেশের ডাক্তারের রের্ফাড এর কাগজ জমা দিতে হবে । চিকিৎসা সংক্রান্ত ভিসার মেয়াদ বাড়ানো যায় ।
৮. অফিসিয়াল আমন্ত্রন পেলে সেই আমন্ত্রন পত্রে কপি জমা দিতে হবে ।
৯. ট্রানজিট ভিসার ক্ষেত্রে নেপাল বা ভুটানের ভিসা আগে নেয়াটা ভাল । সে ক্ষেত্রে আপনি ৭২ (বাহাত্তর ঘন্টা) ভারতে অবস্থানের সুযোগ পাবেন ।
১০. ভিসা ফি-৬০০/= ( চারশত টাকা মাত্র )
১১. ভিসা ফর্ম জমা নেয়ার সময় সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা ( সময় পরির্বতন করা হয় )
১২. পার্সপোট ফেরত দেয়ার সময় বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (সময় পরির্বতন করা হয় )
১৩. ভিসা সেন্টারে ফোন ব্যবহার নিষেধ । ভিসা সেন্টারে বড় কোন ব্যাগ সাথে রাখা যাবে না ।
১৪. ছবির মাপ ২ ইঞ্চি বাই ২ ইঞ্চি হতে হবে, বেশী পুরানো হলে চলবে না। বর্তমান চোহারা ফুটে উঠতে হবে !
কমপক্ষে বিশ দিন আগে ভিসার জন্য আবেদন করা ভাল ।
বাংলাদেশীদের যেই যেই ক্যাটাগরিতে ভারতীয় ভিসা দেয়া হয় :
---------------------------------------------------------------------------
১. বিজনেস ভিসা
২. সিঙ্গেল এন্টি ভিসা
৩. সিঙ্গেল এন্টি ট্র্যানজিট ভিসা
৪. ডাবল এন্টি ট্র্যানজিট ভিসা
৫. মেডিক্যাল / মেডিক্যাল এটেডডেন্ট
৬. সাংবাদিক
৭. ষ্টুডেন্ট
৮. রির্সাচ ভিসা
৯. কনফারেন্স
১০. এম্পমেন্ট ভিসা
১১. ট্রেনিং
এই ঠিকানা গুলোতে ভিসা ফর্ম জমা নেয়া হয় :
-------------------------------------------------------------------------------------
This Are Indian Visa Application Center ( IVAC) in Bangladesh
1. IVAC, Gulshan. Dhaka
House # 12, Road # 137,
Gulshan-1 Dhaka -1212,
Bangladesh.
Tel: 00-88-02-9893006, 8833632
Fax: 00-88-02-9863229
Email: info@ivacbd.com
Website: www.ivacbd .com
2. IVAC, Motijil .Dhaka
State Bank of India
Shadharon Bima Bhaban, 24-25, Dilkusha C/A,
Tel: +88-02-9553371, 9554251
Fax: +88-02-9563991
Email: info@ivacbd.com
Website: www.ivacbd .com
3. IVAC, Chittagong
State Bank of India
2111, Zakir Hossain Road, Habib Lane, Opposite Holy Crescent
Hospital, Chittaghong
Tel : 00-88 -031-2551100
Fax: 00-88-031-2524492
E-mail : ivacctg@colbd.com
Website : www.ivacbd .com
4. IVAC, Sylhet
State Bank of India
Rahim Tower, Subhanighat Biswa Road,
Sylhet 3100, Bangladesh.
Tel: 00-88-0821 - 719273
Fax: 00-88-0821-719932
E-mail: info@ivacbd.com
Website : www.ivacbd.com
5. Asst. High Commission of India, Rajshahi
284/II, Housing Estate Sopura,
Upashahar, Rajshahi
Telephone No- 00-88-0721-861213/211/215
Fax No : 00-88-0721-861212
E-mail: hoc.rajshahi@mea.gov.in
নিচের ঠিকানা গুলো হাইকমিশনের অফিস । এখনে ভিসা ফর্ম জমা নেয়া হয় না ।
This Are Office of High Commission of India, Bangladesh :
1. High Commission of India,Dhaka
“ Lake View ”
House # 12, Road # 137,
Gulshan-1 Dhaka -1212,
Bangladesh.
Tel: 00-88-02-9893006, 8833632
Fax: 00-88-02-9863229
Email: info@ivacbd.com
Website: www.ivacbd.com
2. Asst. High Commission of India, Chittagong
Postal Address: Habib Lane, 2111, Zakir Hossain Road,
Khulshi, Chittagong.
E-mail: ahc@bbts.net
Website: www.ahcictg.net
Telephone no.: 0088-031-654201, 654148
Fax no.: 0088-031-654147
3. Asst. High Commission of India, Rajshahi
284/II, Housing Estate Sopura,
Upashahar, Rajshahi
Telephone No- 00-88-0721-861213/211/215
Fax No : 00-88-0721-861212
E-mail: hoc.rajshahi@mea.gov.in
কার্টেসী: ভ্রমণ বাংলাদেশ।
** পোস্ট এবং তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগলে বন্ধুদেরও শেয়ার করুন।

Sunday, April 15, 2018

ঢাকার বিলাসবহুল যত হোটেল

অনেকদিন ধরে চলতে থাকা ব্যস্ততা, হঠাৎ বেড়ে যাওয়া অফিসের চাপ, শারীরিক অসুস্থতা অথবা কাছের মানুষের সাথে মনোমালিন্য- এসব যদি চলতেই থাকে মাসজুড়ে, তখন মনকে একটু শান্তি দেওয়ার কোনো উপায় আছে? প্রথমের মাথায় আসবে, “কোথাও ঘুরে আসা যাক!” কিন্তু ঘুরতে যাওয়া মানে নিশ্চয়ই কোনো আত্মীয়ের বাসা হবে না। একা নিরিবিলি সময় চাইলে সেটা বন্ধু-বান্ধবের বাসাও হতে পারে না। তখন আমাদের শরণাপন্ন হতে হয় হোটেলের।
যখন তখন ভালো হোটেল খুঁজে বের করাও মুশকিল। আবার যদি বা ভাগ্য জোরে কেউ তথ্য দেয়ও তবুও দেখা যায় খুঁজতে খুঁজতে হোটেলের কামরাগুলো বুক হয়ে গিয়েছে। মন ভালো করতে গিয়ে উলটো মন খারাপের আরও একটি কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই আজকের এই আয়োজনে চেষ্টা করা হবে যেন আপনাকে আর কষ্ট করে হোটেল খুঁজে বের না করতে হয়, বরং এখান থেকেই জেনে নিন বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর এবং বিলাসবহুল কিছু হোটেল বা রিসোর্টের ঠিকানা এবং খরচসহ আরও কিছু তথ্য।

১. প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও

ঢাকার কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ে অবস্থিত হোটেলটি বাংলাদেশের পাঁচ তারা হোটেলগুলোর মাঝে অন্যতম। আভিজাত্য এবং জাঁকজমকের নিদর্শন এই হোটেলটিতে আপনি খুব বিলাসিতায় অবস্থান করা এবং চড়া দামে সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি আরো পাবেন মিটিং করার জন্য বিজনেস সেন্টার, হেলথ ক্লাব, সুইমিং পুল, বিউটি স্যালুন, শপিং আর্কেড, ঢাকা শহরে ঘোরাঘুরি করার জন্য ব্যবস্থা এবং উচ্চমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এখানে বিভিন্ন মানের রুম থেকে শুরু করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানের স্যুইট আছে যেখানে ২৪ ঘণ্টা খাবার পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
প্রতি রাত কাটানোর জন্য বিভিন্ন প্রকার রুমের ক্ষেত্রে আপনার গুনতে হবে ১৫৫ ডলার থেকে ২২০ ডলার, স্যুইটের জন্য ২৭০ ডলার থেকে ৬২০ ডলার। প্রতিটি রুমেই নিরাপত্তার জন্য সেফ, কাজের জন্য টেবিল, উচ্চগতির ইন্টারনেট, বিনোদনের জন্য টেলিভিশন, মিনিবার, দৈনিক খবরের কাগজ ইত্যাদি সকল ব্যবস্থা আছে।


প্যান প্যাসিফিক হোটেলের এক ঝলক; Source: Global Hotel Alliance

২. ফোর পয়েন্টস বাই শেরাটন

ঢাকার গুলশান ২ নং এ অবস্থিত এই হোটেলটির কথা না বললেই নয়। চার তারা এবং বহুতল বিশিষ্ট এই হোটেলে আপনি পাবেন ঢাকা শহরের এক মনোরম দৃশ্য অবলোকন করার সুযোগ। এখানে রয়েছে অভিজাত ১৪৯টি কামরা এবং ৩১টি স্যুইট। প্রতিটি রুমেই রয়েছে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সেফ ডিপোজিট বক্স, রুমেই খাবারের ব্যবস্থা এবং পার্কিং, এয়ারপোর্ট পিক-আপ ও ড্রপ-অফের সুযোগ। এই আবাসিক হোটেলে আপনি আরো পাবেন অসাধারণ স্বাদের সব খাবার, বিভিন্ন বিজনেস সার্ভিস, বিনোদনের জন্য রুফ-টপ পুল, স্বাস্থ্যের জন্য ব্যায়ামাগার, পার্সোনাল ট্রেইনার ইত্যাদি। উল্লেখ্য, এখানে প্রতি রাত কাটানোর জন্য আপনাকে নূন্যতম ১৩৭ ডলার গুণতে হবে, যা রুমের মানের সাথে সাথে বাড়তে পারে।


ফোর পয়েন্টস বাই শেরাটন এর লবি; Source: Dhaka Business Directory

৩. দ্য ওয়েস্টিন

অভিজাত এলাকা গুলশানে অবস্থিত এই পাঁচ তারা হোটেলটি বাহির থেকে দেখতে যেমন আলিশান, ভেতরে তেমনি হুলস্থূল অবস্থা! ২৩৫টি বিভিন্ন মানের কামরা ও ২৪টি স্যুইট বিশিষ্ট এই হোটেলে আপনি থাকার পাশাপাশি আরো পাবেন ঢাকা শহরের এবং গুলশান লেকের এক অদ্ভুত মনোরম দৃশ্য, যা কোনো বহুতল ভবন থেকে সচরাচর দেখতে পাবেন না। প্রতিটি কামরায় রয়েছে উচ্চগতির ইন্টারনেট, এলসিডি টেলিভিশন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অভিজাত ডিজাইনের বাথরুম ইত্যাদি। এখানে থাকতে গেলে প্রতি রাতের জন্য আপনাকে গুনতে হবে কমপক্ষে ২৬৫ ডলার, যা রুমের মানের অনুপাতের সাথে বাড়বে। এখানে আরো আছে ৫টি রেস্তোরাঁ যার প্রতিটি খাবারের মেন্যুর দিক দিয়ে স্বতন্ত্র। আপনি এই হোটেলে আরো পাবেন পুল, স্পা, ফিটনেস সেন্টার, এয়ারপোর্ট পিক-আপ এবং ড্রপ-অফ, পার্কিং ইত্যাদি সুবিধা।


রাতের আলোয় ঝলমলে হোটেল দ্য ওয়েস্টিন; Source: Hotel Deals for Dhaka

৪. সিক্স সিজনস হোটেল

ঢাকায় অবস্থিত পাঁচ তারা একটি হোটেল হলো সিক্স সিজনস হোটেল। গুলশান ২ এ অবস্থিত এই হোটেলটি এককথায় আভিজাত্যে ভরপুর। সুইমিং পুল, ফিটনেস সেন্টার, স্পা, বুফে রেস্টুরেন্টসহ এখানে রাত্রি যাপনকারী মেহমানদের জন্য রয়েছে অনেক সুযোগ সুবিধা। বিলাসবহুল এবং বিনোদনপ্রেমী যে কেউ এই হোটেলে কয়েকটা দিন কাটিয়ে আসলে, দেখবেন মন একদম ফুরফুরে হয়ে গেছে। এখানে প্রতিটি রুমে রয়েছে এলইডি টিভি, ইন্টারনেট, ল্যাপটপ সেফ সহ আরও অন্যান্য নানান সুবিধা। এই বিলাসবহুল হোটেলে থাকার জন্য আপনাকে প্রতিদিন গুনতে হবে সর্বনিম্ন ৩৪০ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ১৪০০ ডলার।


হোটেল সিক্স সিজনের আলোকিত পুল; Source: Dhaka Tribune

৫. লেকশোর হোটেল অ্যান্ড অ্যাপার্টমেন্টস

গুলশান ২ লেকের পাড়ে অবস্থিত এই বিলাসবহুল হোটেল বাহির থেকে দেখতে অনেক বেশি জমকালো। একদম গুলশান লেকের পাড়ে অবস্থিত হওয়ায় এই হোটেল আভিজাত্য একটি অনন্য মাত্রা পেয়েছে। এই হোটেলে রয়েছে গ্র্যান্ড সিটিং রুম, ৬০টি গেস্টরুম, রেস্তোরাঁ, বার, আউটডোর পুল, হেলথ ক্লাব, এয়ারপোর্ট পিক-আপ ড্রপ-অফ, পার্কিং, ফ্রি ইন্টারনেট, বুফে নাস্তা ইত্যাদি অনেক সুবিধা। প্রতিটি গেস্টরুমই সুসজ্জিত এবং পরিবারবান্ধব। এখানে থাকার জন্য প্রতি রাতে আপনার গুনতে হবে ১৫০ ডলারের মতো, যা রুমের মানের সাথে একই অনুপাতে বাড়তে পারে। এখানে খাবার খুবই উন্নত এবং সুস্বাদু যা আপনি ইচ্ছা করলে বিভিন্ন ফুড ডেলিভারি সার্ভিসের সাহায্যে চেখে দেখতে পারেন। কিন্তু এর জন্যও আপনাকে উচ্চমূল্য গুনতে হবে!


লেকের পাড়ে লেকশোর হোটেল; Source: Hotel & Motels is BD

৬. র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন

সর্বমোট ৭ একর জমির উপর দাঁড়িয়ে থাকা এই পাঁচ তারা হোটেলটিতে নির্বিঘ্নে থাকাটা শহরের যান্ত্রিকতা দূর করার খুব কার্যকর একটি উপায়। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট রোডের পাশে অবস্থিত এই হোটেলটির বাহিরের আভিজাত্যময় গঠন যে কারো মন ছুঁয়ে দিতে সক্ষম!
কী নেই এই হোটেলে? সর্বমোট ২০০টি বিলাসী রুম ও স্যুইট, ৪টি রেস্তোরাঁর সুস্বাদু খাবার, বার, স্পা, হেলথ ক্লাব, একাধিক পুল, বিজনেস লাউঞ্জ ইত্যাদি এই হোটেলটিকে বিলাসিতার উচ্চপর্যায়ে নিয়ে গেছে। এখানে প্রতিরাত থাকার জন্য আপনাকে নিজের পকেট থেকে কমপক্ষে ২০৩ ডলার গুনতে হবে। আর উচ্চমানের রুমে থাকলে তো কথাই নেই!


অপরূপ সৌন্দর্যের র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার হোটেল; Source: Dhaka Tribune

৭. লা মেরিডিয়ান

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রোডের উপরে খিলক্ষেত নিকুঞ্জ ২ এ অবস্থিত লা মেরিডিয়ান হোটেল ঢাকায় উচ্চমানের আরেকটি নিদর্শন। এখানে ৩০৪টি রুম এবং ২৫টি স্যুইট রয়েছে যা অত্যন্ত শৌখিন এবং বিলাসী। এখানে রাত কাটানোর জন্য আপনার কোনো কিছুর অভাববোধ হবে এমন পরিস্থিতি হোটেল কর্তৃপক্ষ রাখেনি। প্রতি রাত এখানে কাটানোর জন্য আপনাকে কমপক্ষে ২৪১ ডলার গুনে হোটেল কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে। আরো উচ্চমানের রুম বা স্যুইটের জন্য আরো বেশি খরচ পড়বে। এখানে আরো রয়েছে রুফ-টপ সুইমিং পুল যা ব্যবহারের কোনো সময়সীমা নেই, ৬টি রেস্তোরাঁর রুচিশীল সুস্বাদু খাবার, ফিটনেস সেন্টার, বেঙ্গল আর্ট লাউঞ্জ, বাচ্চাদের জন্য সুব্যবস্থা, বিজনেস সেন্টার, স্পা, মেরিডিয়ান ক্লাব লাউঞ্জ ইত্যাদি। শুধু থাকার ব্যবস্থা নয়, বরং আপনি এখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজনও করতে পারেন।
হোটেল লা মেরিডিয়ান; Source: Best Holdings Limitedঘুরে আসুন আপনার সাধ এবং সাধ্যের সমন্বয়ে দেশের বিভিন্ন বিলাসবহুল হোটেল থেকে। শুধু বিদেশেই নয়, বরং আমাদের দেশেও রয়েছে নজরকাড়া, জাঁকজমকপূর্ণ এমন অনেক হোটেল।

ফিচার ইমেজ সোর্স: InterContinental Hotel Dhaka

Wednesday, April 4, 2018

কম খরচে কলকাতায় মনের মতো শপিং করার সেরা ৮ ঠিকানা

শপিং করতে আমরা কম বেশি সবাই পছন্দ করি। এক দিকে সাজানো হরেক পোশাক, প্রয়োজনীয় জিনিস, অন্য দিকে লোভনীয় খাবার। কলকাতার রাস্তায় ঘুরে শপিং করার মজা এটাই। পকেটের চিন্তা না করেই যেখানে শপিং করে, খেয়ে মজা সে শহরের নাম অবশ্যই কলকাতা। শপিং মলের এসির হাওয়া খেয়ে চোখ কপালে ওঠা দামকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে কলকাতার এই সব মার্কেট। জেনে নিন এমনই ৮ মার্কেটের ঠিকানা। 
নিউ মার্কেট: ওল্ড কম্লেক্সের চরিত্র এক রকম, নতুন কম্প্লেক্সের আরেক, আবার গোটা এসপ্লানেডের ফুটপাথ জুড়ে সাজিয়ে বসা নানা পসরার চরিত্র আরেক রকম। কোথায়ই আপনি হতাশ হবেন না, পকেটও খুশ থাকবে।

 বড় বাজার: রোজকার পরার শাড়ি, কুর্তি থেকে শুরু করে ঝলমলে পোশাক যে কোনও রকম পেয়ে যাবেন বড় বাজারের ঢালা সম্ভারে।


গড়িয়াহাট: দোকান হোক বা ফুটপাথ, মোড়ের মাথার মশলা চা বা বেদুইনের রোল, কিনুন বা শুধুই ফুটপাথ ধরে হেঁটে বেড়ান, গড়িয়াহাটের ব্যপারই আলাদা।


কি কে মার্কেট: শেক্সপিয়ার সরণীর ওপর এ সি এই শপিং মল কলকাতার ফ্যাশনিস্তাদের জন্য সেরা জায়গা।ব্যাঙ্কক, হংকং-এর লেটেস্ট ফ্যাশন পোশাক সব পেয়ে যাবেন এখানে। নিজের পকেট অনুযায়ী বার্গেনও করতে পারবেন।


দক্ষিণাপন: সরকারি হ্যান্ডলুম, সুতির খদ্দর থেকে শুরু করে যে কোনও ফেব্রিক, বেতের মোড়া, বেড কভার, ট্রাইবাল গয়না যারা পছন্দ করেন তাদের আর নতুন করে দক্ষিণাপন চেনানোর কিছু নেই।

  
বর্দান মার্কেট: ক্যামাক স্ট্রিটের ব্যস্ত রাস্তায় কলকাতা শহরের অন্যতম পুরনো শপিং মল বর্দান মার্কেট।হাল ফ্যাশনের যে কোনও পোশাক যদি সস্তায় কিনতে চান তাহলে আপনার জন্য সেরা জায়গা বর্দান মার্কেট।
  
হাতিবাগান: কলেজ স্ট্রিট থেকে ট্রাম ধরে সোজা চলে যান হাতিবাগান মার্কেট।জামা কাপড় থেকে রোজকার প্রয়োজনীয় সামগ্রী, যা খুশি মন ভরে কিনে ফেলুন।



মেট্রো প্লাজা: হো চি মিন সরণীর ওপর এই শপিং মলে ব্র্যান্ডেড পোশাক যেমন পাওয়া যায়, তেমনই পাবেন নন-ব্র্যান্ডেড। সঙ্গে জুতো, ব্যাগ, নানা অ্যাক্সেসরিজ তো রয়েছেই। সব কিছুই আপনার পকেটের সঙ্গে জুতসই।

Add caption